ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনে সবাই সমান, বিভক্ত না হয়ে এক থাকতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪
  • / ৮২৮ বার পড়া হয়েছে
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সব সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করবেন জানিয়ে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। এখানে বিভেদ করার সুযোগ নেই। তাই দেশের মানুষ হিসেবে অধিকার আদায়ে বিভক্ত না হয়ে সবাইকে এক থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় ধর্মীয় পরিচয় নয়, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার অনুরোধ, আপনারা বিভিন্ন খোপে চলে যাবেন না। সবাইকে এক থাকতে হবে। আমাদের সাহায্য করেন, ধৈর্য ধরেন।
আমরা না পারলে দোষ দিয়েন।’
তিনি বলেন, ‘কোনো পার্থক্য করা বা বিভেদ করার বাংলাদেশ আমরা করতে চাই না। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকে ঠিক করতে হবে। এগুলো পচে গেছে।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার দিতে হবে।’
এ সময় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা সাম্প্রতিক ও বিগত দিনের সব সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার চান। তারা একটি পৃথক কমিশন গঠনের দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আইনে সবাই সমান, বিভক্ত না হয়ে এক থাকতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সব সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করবেন জানিয়ে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। এখানে বিভেদ করার সুযোগ নেই। তাই দেশের মানুষ হিসেবে অধিকার আদায়ে বিভক্ত না হয়ে সবাইকে এক থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় ধর্মীয় পরিচয় নয়, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার অনুরোধ, আপনারা বিভিন্ন খোপে চলে যাবেন না। সবাইকে এক থাকতে হবে। আমাদের সাহায্য করেন, ধৈর্য ধরেন।
আমরা না পারলে দোষ দিয়েন।’
তিনি বলেন, ‘কোনো পার্থক্য করা বা বিভেদ করার বাংলাদেশ আমরা করতে চাই না। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকে ঠিক করতে হবে। এগুলো পচে গেছে।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার দিতে হবে।’
এ সময় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা সাম্প্রতিক ও বিগত দিনের সব সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার চান। তারা একটি পৃথক কমিশন গঠনের দাবি জানান।